পিআইও জাকারিয়া আলমের হাতে আলাদিনের চেরাগ
ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার সাবেক পিআইও জাকারিয়া আলমের হাতে যেনো আলাদিনের চেরাগ এসেছে। যার জন্য তিনি মাত্র আট বছরের মাথায় বিশাল অর্থের একাধিক অট্টালিকাসহ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। অভিযোগ উঠেছে, নানান প্রকল্প বাস্তবায়নে
ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার সাবেক পিআইও জাকারিয়া আলমের হাতে যেনো আলাদিনের চেরাগ এসেছে। যার জন্য তিনি মাত্র আট বছরের মাথায় বিশাল অর্থের একাধিক অট্টালিকাসহ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। অভিযোগ উঠেছে, নানান প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে অদৃশ্য ইশারা আর নয়-ছয়ের ধোঁয়া তুলে তিনি টাকার বানানোর মেশিন পেয়েছেন । তার এই টাকার মেশিনের কারণে সরকারের কোটি কোটি টাকা গচ্ছা যাচ্ছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
অন্য একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, তিনি কাজ না করেই শুধুমাত্র স্থানীয় চেয়ারম্যানদের সাথে যোগসাজশে অর্জন করেছেন অবৈধ সম্পদ। এভাবে তিনি ময়মনসিংহ শহরে আট তলা বাড়িও করেছেন। নিজ এলাকা ধোবাউড়ায় করার পথে চার তলার আলিশান বাড়ী। নিজের আখের গোছাতে তৎকালীন আ‘লীগের প্রভাবশালীদের কিভাবে ব্যবহার করেছেন তা দুদকে করা তার বিষয়ে অভিযোগ পুণ:তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বেরোনো সহ শতশত টাকা বানানোর মেশিনের খবর বেরিয়ে আসবে।
তবে দুদক সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের মন্তব্য, এবিষয়ে অভিযোগ ও তথ্য পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অন্যদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ঠ বিভাগে বিষয়ে মতামতের জন্য যোগাযোগ করা হলে জাকারিয়া আলমের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে বলা হয়েছে।
তারাকান্দার সাবেক উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাকারিয়া আলম বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরে বদলী হয়ে এসেছেন। একটি সূত্র বলছে, তিনি ডিআর’র মত আরো বড় পদের দায়িত্ব পেতে ইতোমধ্যে দৌঁড়ঝাপ অব্যাহত রেখেছেন। এ ব্যাপারে জানতে তার অফিসে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি।
মুঠো ফোনে এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলেও তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, কোথায় আমার এত সম্পদ, আমাকে নিয়ে চলেন, দেখান। ময়মনসিংহ শহরে আটতলা বাড়ীর কথা উল্লেখ করলে তিনি রাগান্বিত হয়ে নিজেকে ধোওয়া তুলসিপাতা উল্লেখ করে ‘এখানে অন্যেরও শেয়ার আছে’ বলে মতামত দিলেও পরবর্তীতে থলের বিড়াল না বের হয় এজন্য অনেকভাবে তিনি মিমাংসার জন্য নিজে এবং অন্য পক্ষের মাধ্যমে চেষ্টা তদবির চালিয়েছেন। (ধারাবাহিক)
Akhi Malek

Please share your comment: