দিল্লিতে অবতরণ করেছে শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান

Published: 05 August 2024 20:08

অন্য দেশে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ‘সেফ প্যাসেজ’ দেবে ভারত সরকার

দিল্লির গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে শেখ হাসিনার বিমান। স্থানীয় সময় ৫টা ৩৬ মিনিটে অবতরণ করে শেখ হাসিনার বিমান। ভারতের সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা তাকে স্বাগত জানান

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল গাজিয়াবাদের হিন্দন বিমানঘাঁটিতে বাংলাদেশের দেশত্যাগী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

বিশ্বস্ত সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, শেখ হাসিনা ভারতে গিয়েছেন কিন্তু তিনি সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় চাননি। তাই তার পরবর্তী গন্তব্য নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল দিল্লিতে থাকেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক তিনি। তারা সায়মা ওয়াজেদের বাসায়ও উঠতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা যুক্তরাজ্যের নাগরিক। রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সংসদ সদস্য। যে কারণে তারা যুক্তরাজ্যে যেতে পারেন।

শেখ হাসিনাকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টারটি আগরতলায় উড়িয়ে নিয়ে যান এয়ার কমোডর আব্বাস। তিনি ১০১ স্কোয়াড্রনের সদস্য।

আগরতলায় পৌঁছানোর পর সেখান থেকে বিমানে দিল্লির পথে রওনা হন শেখ হাসিনা।

তবে সরাসরি দিল্লির কোনো বিমানবন্দরে অবতরণ করেনি শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটি। দিল্লির কাছে ভারতের অন্যতম বৃহৎ বিমানঘাঁটি হিন্ডনে নামে সেটি।

টানা ৩৬ দিন ধরে চলা আন্দোলনের মুখে অবশেষে আজ সোমবার পদত্যাগ করতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এ দিন দুপুরের দিকে শেখ হাসিনাকে বহনকারী সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টারটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যায়।

ভারতের সংবাদমগুলো জানিয়েছে, আগরতলা থেকে পরবর্তীতে নয়াদিল্লি যান শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে কোনো এক সময়ে লন্ডনগামী কোনো বাণিজ্যিক বিমানের ফ্লাইটে উঠবেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে ছোট বোন রেহানাও আছেন বলে জানা গেছে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, অন্য দেশে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ‘সেফ প্যাসেজ’ দেবে ভারত সরকার।

গত জুনের শেষ দিকে হাইকোর্ট সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা পুণর্বহালের ঘোষণা দেওয়ার পর তার বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু ১৪ জুলাই’র পর থেকে সেই আন্দোলন সহিংস হয়ে ওঠে। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনগণের মধ্যকার সংঘাতে নিহত হন আড়াই শতাধিক মানুষ।

Akhi Malek

Please share your comment:

Related