প্রধানমন্ত্রীর ডাক পেলেন কোভিড-১৯’র টেস্ট উদ্ভাবক ড. বিজন কুমার

Published: 23 March 2020 20:03

ড. বিজন কুমার শীল নোভেল (কোভিড-১৯) পরীক্ষার যে দ্রুত পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন সেটা বাস্তবায়নের জন্য রিএজেন্ট আমদানির অনুমোদনের ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী নিজ উদ্যোগেই করেছেন

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) দ্রুত ও সহজ টেস্ট পদ্ধতির উদ্ভাবক বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীলের সঙ্গে কথা বলার জন্য তাকে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২২ মার্চ) বিকেলেই তার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ততার কারণে এদিন তাদের সাক্ষাত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ড. বিজন কুমারকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই দুজনের সাক্ষাত হবে।

ড. বিজন কুমার শীল এ বিষয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে ডেকেছিলেন। আজ আমার যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওখান (প্রধানমন্ত্রীর দফতর) থেকেই আবার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই আমাদের আবার জানানো হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ড. বিজন কুমার শীল নোভেল (কোভিড-১৯) পরীক্ষার যে দ্রুত পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন সেটা বাস্তবায়নের জন্য রিএজেন্ট আমদানির অনুমোদনের ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী নিজ উদ্যোগেই করেছেন।

যেহেতু ড. বিজন কুমার শীলের বর্তমান কর্মস্থল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। সেহেতু একটি মহল বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছিল, যাতে রিএজেন্টগুলো তারা আমদানি করতে না পারে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টির প্রতি নজর রেখে ওই রিএজেন্ট আমদানির অনুমতির ব্যবস্থা করেন। শুধু এই অনুমতি দিয়েই তিনি বসে থাকেননি। করোনাভাইরাসের দুর্যোগ মোকাবিলায় ড. বিজনকে আরও কত বেশি কাজে লাগানো যায় সেজন্য তাকে ডেকেছেন।

সাধারণ ঘর থেকে উঠে আসা ড. বিজন কুমার শীল বারবার দেশকে কিছু না কিছু দেওয়ার চেষ্টা করছেন। নব্বইয়ের দশকে ব্ল্যাক গোটের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেন তিনি। সেটা প্যাটেন্ট করতে পারলে চা রফতানি করে যে অর্থ আসে, তার চেয়ে দ্বিগুণ আয় করতে পারত বাংলাদেশ— এমনটিই ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

ড. বিজন ডেঙ্গুর কুইক টেস্টও উদ্ভাবন করেছিলেন। সিঙ্গাপুরে গিয়ে তিনি সার্সের কুইক টেস্ট উদ্ভাবন করেন, যা চীন প্যাটেন্ট করে।

বর্তমানের এই মহাদুর্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ড. বিজনকে নিজ উদ্যোগে খুঁজে নিয়ে কাজে লাগাতে যাচ্ছেন— ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

Akhi Malek

Please share your comment:

Related