রাজবাড়ীতে বতর শুরু
এতো ঝড়, বৃষ্টি কিংবা খড়া; তারপরও এবার আবাদ ভাল হয়েছে। নতুন ধানের গন্ধে চারপাশ মৌ মৌ গন্ধ ছড়াচ্ছে
রাজবাড়ী জেলায় কৃষকরা বতর শুরু করে দিয়েছেন। এখন তাদের বিন্দু মাত্র ফুসরাত নেই। মাঠের পর মাঠ সোনালী ধানের ঝিলিক।
এতো ঝড়, বৃষ্টি কিংবা খড়া; তারপরও এবার আবাদ ভাল হয়েছে। নতুন ধানের গন্ধে চারপাশ মৌ মৌ গন্ধ ছড়াচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রামকান্তপুরে কৃষকরা নতুন ধান কাটা শুরু করে দিয়েছেন। বাড়ীর উঠানে কৃষকের বৌ ধান শুকাতে দিচ্ছে। আর কৃষানীর মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।
পাওয়ানাদার, এনজিও আর সার কীটনাশকের দোকানদাররা মুখিয়ে রয়েছে। মাঠে দেখা গেলো কৃষকের ঘর্মাক্ত শরীরে লেগে আছে জামা কাপড়। এ সময় বাড়ীর সবাই বতর নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটায়। গ্রামের অধিকতর সুবিধা বঞ্চিতরা তাদের সাহায্য করে।

কৃষকের বক্তব্য, কষ্টের হাসফাঁস জীবন। তবুও থেমে নেই ধান কাটা। নবান্নের উৎসব বলে কথা। চলমান বতর (নবান্ন) যাতে নির্বিঘ্নে কৃষকরা সম্পন্ন করতে পারেন সেই প্রত্যাশা সকলের।
"পৌষ পার্বণে পিঠা খেতে বসি খুশিতে বিষম খেয়ে/ আরও উল্লাস বাড়িয়াছে মনে মায়ের বকুনি পেয়ে।"
কবি সুফিয়া কামালের কবিতায় গ্রামবাংলার কিশোর বয়সের পিঠা খাওয়ার আনন্দ ধরা পড়ে এইভাবে। ‘ভাওয়াইয়া গানেও রয়েছে মানুষের পিঠা খাওয়ার বাসনার কথা — ‘মনটা মোর পিঠা খাবার চায়’। বতরের সাথে পিঠা পায়েসের সম্পর্ক নীবিড়।
সাধারণত নতুন ধান ওঠার পরে আতপ চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি হয় পিঠা। সব ঋতুতেই পিঠা তৈরি হয়। তবে শীতে খেজুর গুড় ও খেজুরের রসে ভেজা পিঠার স্বাদ ভোলা যায় না। সেজন্য শীতকালেই রকমারি পিঠা রয়েছে আমাদের সংস্কৃতিতে।
Akhi Malek

Please share your comment: