উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন-এর ঘুষের ভিডিও প্রকাশ
গণপূর্ত ই-এম বিভাগ-৩ ঘুষের হাট
ঠিকাদার ও প্রকৌশলী দু’জনই সমান অপরাধী। কারণ ঠিকাদার ঘুষের বিনিময়ে কাজ না করেই বিল তুলে নেয় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের সহায়তায়।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ নতুন কোন বিষয় নয়। ডিপ্লোমাধারী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে বিসিএস ডিগ্রীধারী প্রকৌশলী সকলেই একই সূত্রে গাঁথা। একজন ডিপ্লোমাধারী প্রকৌশলী তিনি প্রকাশ্যে ঘুষ নেন ঠিকাদারের নিকট থেকে অথচ তার কোন বিচার হয় না।
ঠিকাদার ও প্রকৌশলী দু’জনই সমান অপরাধী। কারণ ঠিকাদার ঘুষের বিনিময়ে কাজ না করেই বিল তুলে নেয় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের সহায়তায়।
কেস স্টাডি:
গণপূর্ত ই এম-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এস, এম, ময়নুল হক উক্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী খালেক আকন্দ ঠিকাদারের নিকট থেকে ১০ (দশ) লক্ষ টাকার ঘুষ গ্রহণ করেন যার একাধিক ভিডিও দ্য ফিন্যান্স টুডে’র হাতে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে একজন ঠিকাদার উক্ত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন এর রুমে গিয়ে ঠিকাদারের নিজস্ব লোক দিয়ে গোপনে ভিডিও করেন। একটি ভিডিওতে বলতে শোন যাচ্ছে, ‘স্যার আপনি ১০ লাখ চেয়েছিলেন ১০ লাখ-ই দিয়েছি স্যার।’ এখানেতো আহামরি কোন টাকার মাল নাই স্যার। মালটি আপনি পৌঁছে দিয়েন স্যার। এখানে কাকে কি দিয়েছি তা তো বলে লাভ নাই স্যার। আপনি তো আপনারটা পুরোপুরি বুঝে পেয়েছেন স্যার।
এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দিয়ে দ্য ফিন্যান্স টুডে’র সম্পাদককে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য হুমকি প্রদান করে।
বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে আসার পর প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন এর সাথে ঠিকাদারের সমঝোতা হয়।
এ প্রসঙ্গে ই-এম বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এস, এম, ময়নুল হক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি জানেন না বলে এড়িয়ে যান। সংশ্লিষ্ট ই-এম বিভাগ-৩ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হুমায়রাকে ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায় নি।
Akhi Malek

Please share your comment: